কম্পিউটিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কম্পিউটিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

Portable software তৈরি করুন নিজেই !!!!

Portable software তৈরি করুন নিজেই !!!!

আপনিও হয়ে যান পোর্টেবল সফ্টওয়্যার মাষ্টার !!!!!

Portable software বিলতে কি বুঝি ?

"Portable software বলিতে আমরা ওই সমস্ত software কে বুঝি যাহা কোনো কম্পিউটারে install করিবার প্রয়োজন পড়ে না, যাহা Pen drive থেকেই চালানো সম্ভব এবং যাহা অতি সহজে বহনযোগ্য..." ।
Portable software-এর গন্ডি এতদিন নির্দিষ্ট কিছু software-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলো । কিন্তু "Cameyo" দিয়ে আপনের পছন্দের যেকোনো software-এর Portable version তৈরী করা সম্ভব । Cameyo অন করে "capture installation" button ক্লিক করুন, এরপর আপনার software টি install করুন। ব্যাস.......software-এর একটি portable version তৈরী হয়ে গেলো !!!!

Cameyo Software Download Link : http://www.cameyo.com/

দোকানে গিয়ে কেন টাকা খরচ করবেন? এবার নিজেই উইন্ডোজ সেটাপ দিন। (দুটি ইনস্টলেশন গাইড স্ক্রীনশট সহ)

দোকানে গিয়ে কেন টাকা খরচ করবেন? এবার নিজেই উইন্ডোজ সেটাপ দিন। (দুটি ইনস্টলেশন গাইড স্ক্রীনশট সহ)
আগেই বরে রাখি পোষ্টটি যারা উইন্ডোজ সেটাপ দিতে জানেন তাদের জন্য না। এটি হল নতুনদের জন্য। মানে যারা উইন্ডোজ দিতে জানেন না তাদের জন্য। নতুনদের জন্য সত্যি চমৎকার দুটি বই।
এমনভাবে বই দুটি লিখা হয়েছে স্ক্রীনশটসহ মনে হবে হাতে কলমে শিখিয়ে দিচ্ছে কেউ।
তাহলে আর দেরী না এখনি বই দুটি ডাউনলোড করে নিন। নিচে বই দুটির লিংক দিচ্ছি।
উইন্ডোজ এক্সপি ইনস্টলেশন গাইডটি downloed link মিডিয়ফায়ার লিংক।
এবং উইন্ডোজ সেভেন ইনস্টলেশন গাইডটি downloed here
কিছু সীমাবদ্ধতাঃ এক্সপি ইনস্টলেশন গাইডটি ইংলিশে লিখা। তবে কোন সমস্যা হবেনা কারণ যারা ইংলিশ ভালভাবে জানেন না নূন্যতম জানেন তারাও ভাল করে বুঝবেন স্পষ্ট স্ক্রীনশট দেওয়া আছে তাই।
আর উইন্ডোজ সেভেন ইনস্টলেশন গাইডটি দেখলে খুব সহজে উইন্ডোজ এইট-8 ও সেটাপ দিতে পারবেন কারণ দুটির ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া প্রায় একি রকম।
বিঃ দ্রঃ বই দুটির কোনটিই কিন্তু আমার লেখা নয়, দুটিই সংগ্রহ করা।
তাহলে আজকের মত বিদায়, সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন, আল্লাহ হাফেজ।
ভাল লাগলে অবশ্যই জানাবেন.............................

Pendrive দিয়ে খুব সহজেই দিন Windows 7/8/8.1 install

Pendrive দিয়ে খুব সহজেই দিন Windows 7/8/8.1 install
যাদের PC তে DVD writer নাই তারা অনেক সময় windows install দিতে গিয়ে ঝামেলায় পড়েন। কিন্তু আপনি খুব সহজেই পারেন pendrive bootable করে আপনার windows install এর কাজ সেরে ফেলতে।আজ আমি আপনাদের ২ ভাবে দেখাবো কিভাবে এটা করা যায়।

০১. Software ছাড়া : এজন্য আপনার প্রয়োজন হবে কমপক্ষে 4GB pendrive এবং windows iso ফিলে।আপনার pendrive টি pc তে প্রবেশ করান তারপর run এ প্রবেশ করার জন্য Windows+R press করুন। diskpart লিখে enter চাপুন। diskpart.exe open হবে।এরপর নিচের command গুলো দিন।

list disk
select disk 1 (আপনার pendrive এর disk no)
clean
create partition primary
format recommended
active
exit

এবার আপনার windows iso file টি pendrive এ copy করে দিন। ব্যস হয়ে গেলো আপনার windows bootable pendrive।



০২. Software দিয়ে : software টি download করার জন্য http://www.wintobootic.com/ এই link এ যান। Pendrive টি pc তে প্রবেশ করান। download করার পর software টি run করুন।Software টি automatically আপনার pendrive কে খুজে পাবে। quick format box এ টিক দিন। এবার drop source or click box এ গিয়ে আপনার pc তে থাকা windows iso file টি পাইয়ে দিন।এবার do it এ click করুন।ok press করুন। software টি আপনার pendrive কে bootable করা শুরু করে দিবে।১০০% হয়ে গেলে pendrive টি যে পিসি তে windows দিবেন তাতে প্রবেশ করান এবং boot menu থেকে আপনার pendrive টি পাইয়ে দিন।

ইলেকট্রিক সার্কিট নিয়ে সংক্ষিপ্ত টিউটরিয়াল [পর্ব-৩]

ইলেকট্রিক সার্কিট নিয়ে সংক্ষিপ্ত টিউটরিয়াল [পর্ব-৩]
ত পর্বে কার্শহফ’স কারেন্ট নীতি ও ভোল্টেজ নীতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই পর্বে কার্শহফ’স কারেন্ট নীতির উপর ভিত্তি করে নোডাল অ্যানালাইসিস (Nodal Analysis) নিয়ে আলোচনা করা হবে। নোডাল অ্যানালাইসিস হচ্ছে একটি প্রণালী যার দ্বারা কোন সার্কিটের নোড ভোল্টেজ নির্ণয় করা হয়। একটি সার্কিটের নোড ভোল্টেজ জেনে গেলে সেই সার্কিটের যে কোন ব্র্যাঞ্চের কারেন্টও বের করা যায়। নোডাল অ্যানালাইসিস এর জন্য ওহমের সূত্র এবং কার্শহফ’স কারেন্ট নীতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা আবশ্যক। উল্লেখ্য যে, সাধারণ অর্থে দুই বা ততোধিক ব্র্যাঞ্চ এর মিলিত সংযোগস্থলকে নোড বলা হয়, তবে নোডাল অ্যানালাইসিস এর ক্ষেত্রে তিন বা ততোধিক ব্র্যাঞ্চ এর মিলিত সংযোগস্থল বিবেচনা করা হয়ে থাকে যাকে বলে এসেনশিয়াল নোড (Essential Node)। নোডাল অ্যানালাইসিস এর ক্ষেত্রে নিম্নের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে:
ধাপ-১: প্রথমে এসেনশিয়াল নোডগুলো (তিন বা ততোধিক ব্র্যাঞ্চ এর মিলিত বিন্দু) সনাক্ত করতে হবে।
ধাপ-২: এসেনশিয়াল নোডগুলোর মধ্য থেকে একটিকে রেফারেন্স নোড হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। যে নোডে সর্বোচ্চ সংখ্যক ব্র্যাঞ্চ যুক্ত থাকে সেটিকে রেফারেন্স নোড ধরা সুবিধাজনক। রেফারেন্স নোড সাধারণত সার্কিটের তলদেশে থাকে। রেফারেন্স নোডের ভোল্টেজ শূন্য ধরা হয় বিধায় গ্রাউন্ড চিহ্ন দ্বারা লেবেল করা হয়।
ধাপ-৩: নন-রেফারেন্স নোডগুলোকে V1, V2, Vn দ্বারা লেবেল করতে হবে, যেখানে V1 হচ্ছে রেফারেন্স নোডের সাপেক্ষে নোড-১ এর ভোল্টেজ এবং Vn হচ্ছে নোড-n এর ভোল্টেজ। কোন নোডের ভোল্টেজ জানা থাকলে সেই নোডকে লেবেল করার দরকার নাই।
ধাপ-৪: প্রত্যেক নন-রেফারেন্স নোডে কার্শহফ’স কারেন্ট নীতি প্রয়োগ করতে হবে। কার্শহফ’স কারেন্ট নীতি প্রয়োগের সুবিধার্থে ব্র্যাঞ্চ কারেন্টগুলোকে I1, I2, In দ্বারা লেবেল করা যেতে পারে। একটি সার্কিটে যদি দুটি নন-রেফারেন্স নোড থাকে তাহলে কার্শহফ’স কারেন্ট নীতি প্রয়োগ করার পর দুটি সমীকরণ পাওয়া যাবে। অনুরূপভাবে, n সংখ্যক নন-রেফারেন্স নোডের ক্ষেত্রে n সংখ্যক সমীকরণ পাওয়া যাবে।
ধাপ-৫: সমীকরণগুলো সমাধান করে অজানা নোড ভোল্টেজ (V1, V2, Vn) নির্ণয় করতে হবে।
এবার দুটি উদাহরণ দেয়া যাক। নিচের সার্কিটে দুটি এসেনশিয়াল নোড আছে, যাদের মধ্যে একটিকে নন-রেফারেন্স নোড (উপরের লাল বিন্দু) এবং অন্যটিকে রেফারেন্স নোড বা গ্রাউন্ড হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে (পাদদেশের লাল বিন্দু)। নন-রেফারেন্স নোডটিকে Vb দ্বারা লেবেল করা হয়েছে, যার মান নির্ণয় করতে হবে। বুঝার সুবিধার জন্য Va ও Vc দ্বারা দুটি পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে রেফারেন্স নোডের সাপেক্ষে Va = V1 = 32 V এবং Vc = V2 = 20 V.
এবার যদি নন-রেফারেন্স নোডে কার্শহফ’স কারেন্ট নীতি প্রয়োগ করা হয় তাহলে নিচের সমীকরণ পাওয়া যাবে (তীর চিহ্ন অনুযায়ী i1 ও i2 নোডের দিকে প্রবেশ করছে এবং i3 নোড থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে),
i1 + i2 = i3
যেখানে ওহমের সূত্র অনুযায়ী i1 = (Va - Vb)/R1, i2 = (Vc - Vb)/R2, এবং i3 = (Vb - 0)/R3 = Vb/R3. এবার i1, i2, ও i3 এর মান উপরের সমীকরণে বসিয়ে দিয়ে পাওয়া যায়,
(Va - Vb)/R1 + (Vc - Vb)/R2 = Vb/R3
এই সমীকরণে একমাত্র Vb ছাড়া সবগুলো চালকের মান যেহেতু দেয়া আছে সেহেতু সমীকরণটি সমাধান করলে Vb = 24 V পাওয়া যাবে। Vb এর মান পাওয়া গেলে ব্র্যাঞ্চ কারেন্ট i1, i2, ও i3 এর মানও সহজেই বের করা যাবে। মানগুলো হচ্ছে: i1 = (Va - Vb)/R1 = (32 - 24)/20 = 0.4 A, i2 = (Vc - Vb)/R2 = (20 - 24)/40 = - 0.1 A, i3 = Vb/R3 = 24/80 = 0.3 A. উল্লেখ্য যে, তীর চিহ্ন দ্বারা কারেন্টের যে দিক নির্দেশ করা হয়েছে সেগুলোর নির্দিষ্ট কোন নিয়ম নাই। ইচ্ছেমতো দিক নির্দেশ করা যায়, তবে সে অনুযায়ী সমীকরণ লিখতে হবে এবং সমাধান একই হবে। আরো উল্লেখ্য যে, সমাধান সঠিক হয়েছে কিনা তা প্রথম সমীকরণের দ্বারা যাচাই করা যাবে।
দুই নোড বিশিষ্ট সার্কিট ভাল করে বুঝার পর নোডের সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে। নিচের সার্কিটে মোট তিনটি এসেনশিয়াল নোড আছে, যাদের মধ্যে দুটিকে নন-রেফারেন্স নোড (দুটি লাল বিন্দু) এবং একটিকে রেফারেন্স নোড হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে (পাদদেশ)।
এই সার্কিটের দুটি নন-রেফারেন্স নোডে কার্শহফ’স কারেন্ট নীতি প্রয়োগ করা হলে নিচের সমীকরণ দুটি পাওয়া যাবে,
(V1 - 2)/2 + V1/3 + (V1 - V2)/1 = 0 (বাম পাশের নোডের জন্য)
এবং
(V2 - V1)/1 + V2/5 - 2 = 0 (ডান পাশের নোডের জন্য)
এবার উপরের সমীকরণ দুটি সমাধান করলে V1 ও V2 এর মান যথাক্রমে - 2 V ও - 4/3 V পাওয়া যাবে।
নোট: দুটি নন-রেফারেন্স নোডের মধ্যে যদি শুধু ভোল্টেজ সোর্স থাকে তাহলে সেই নোড দুটিতে কার্শহফ’স কারেন্ট নীতি প্রয়োগ করা যায় না, যেহেতু এই নীতির ক্ষেত্রে ওহমের সূত্র প্রয়োগ করতে হয়; আর ওহমের সূত্রের ক্ষেত্রে অবশ্যই রোধ থাকতে হবে। ফলে এই ধরণের ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে সুপারনোড (Supernode) পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে, অর্থাৎ দুটি নোডকে একটি নোড হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। তবে তার আগে সুপারনোড ছাড়াই তিন/চার নোড বিশিষ্ট বেশ কিছু সার্কিট সমাধান করে নোডাল অ্যানালাইসিস সম্পর্কে ধারণা পরিষ্কার করতে হবে।

ইলেকট্রিক সার্কিট নিয়ে সংক্ষিপ্ত টিউটরিয়াল [পর্ব-১]

ইলেকট্রিক সার্কিট নিয়ে সংক্ষিপ্ত টিউটরিয়াল [পর্ব-১]
আশা করি কেউ উচ্চাশা নিয়ে পড়া শুরু করবেন না। অনেকেই হয়ত এই বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত। তবে যাদের ধারণা পরিষ্কার নয় তাদের জন্য কিছুটা উপকারে আসতেও পারে। আজকের সংক্ষিপ্ত টিউটরিয়াল থাকবে ইলেকট্রিক সার্কিটের একেবারে বেসিক একটি বিষয় নিয়ে। একটি সার্কিটে কম্পোনেন্টগুলো তিনভাবে সংযুক্ত থাকতে পারে: সিরিজ সংযোগ, সমান্তরাল সংযোগ, এবং ওয়াই/ডেল্টা সংযোগ। ওয়াই/ডেল্টা সংযোগ খুব কমন না হলেও জেনে রাখা ভাল। এই সংযোগগুলো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকলে সামনে যেমন এগোনো যাবে না তেমনি আবার সার্কিট সমাধান করতে যেয়ে প্রতি মুহূর্তে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যাবে। এই লেখাতে প্রথমে বেসিক কিছু ধারণা দেয়া হবে, তারপর প্রশ্নের জন্য ফ্লোর উম্মুক্ত করে রাখা হবে।
সিরিজ সংযোগ: সিরিজ বা সমান্তরাল বা ওয়াই/ডেল্টা সংযোগ এর প্রশ্ন তখনই আসবে যখন একটি সার্কিটে দুই বা ততোধিক রোধক থাকবে। যদি দুটি বিন্দুর মধ্যে দুই বা ততোধিক রোধক সংযুক্ত থাকে এবং মাঝখানে অন্য কোন পথ না থাকে তাহলে দুই বিন্দুর মাঝের রোধকগুলোকে সিরিজে সংযুক্ত রোধক বলা হয়। সিরিজে সংযুক্ত রোধকের ক্ষেত্রে প্রত্যেক রোধকের মধ্য দিয়ে একই কারেন্ট (I) প্রবাহিত হবে। নীচের চিত্রটি দেখুন:
লক্ষণীয় যে, দুটি লাল বিন্দুর মধ্যে n সংখ্যক রোধক যুক্ত আছে এবং বাম পাশের লাল বিন্দু (a) থেকে ডান পাশের লাল বিন্দু (b) পর্যন্ত একটিমাত্র পথ থাকার কারণে প্রত্যেক রোধকের মধ্য দিয়ে একই কারেন্ট প্রবাহিত হবে। এই ধরণের সংযোগকে সিরিজ সংযোগ বলা হয়। সিরিজ সংযোগের ক্ষেত্রে দুই বিন্দুর মধ্যে মোট রোধ হবে সবগুলো রোধের যোগফলের সমষ্টি। রোধের একক হচ্ছে ওহম (Ω)। ধরা যাক দুটি বিন্দুর মধ্যে ১০, ১৫, ও ২৫ ওহমের তিনটি রোধক সিরিজে সংযুক্ত আছে। তাহলে মোট রোধ হবে ৫০ ওহম। অন্যদিকে বিন্দু দুটির মধ্যে বিভব পার্থক্য হবে প্রত্যেক রোধকের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের যোগফলের সমান (Vab = V1 + V2 + ... + Vn = IR1 + IR2 + ... + IRn)। এখানে a ও b দ্বারা দুই প্রান্তের দুই লাল বিন্দুকে নির্দেশ করা হচ্ছে, ফলে Vab হচ্ছে দুই লাল বিন্দুর মধ্যে বিভব পার্থক্য। অন্যদিকে V1 দ্বারা R1 এর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য, V2 দ্বারা R2 এর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য, এবং Vn দ্বারা Rn এর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যকে বুঝানো হচ্ছে, যেখানে ওহমের সূত্র অনুযায়ী V = IR.
সমান্তরাল সংযোগ: সমান্তরাল সংযোগের ক্ষেত্রে দুই বা ততোধিক রোধকের এক প্রান্তগুলো একই বিন্দুতে এবং অপর প্রান্তগুলো আরেক বিন্দুতে সংযুক্ত থাকে। নীচের চিত্রটি দেখুন:
স্মরণ রাখার মতো কিছু পয়েন্ট: ১) প্রত্যেক সমান্তরাল পথকে একেকটি ব্র্যাঞ্চ বলা হয়; ২) দুটি বিন্দুর মধ্যে যত সংখ্যক ব্র্যাঞ্চই সংযুক্ত থাক না কেন এবং ব্র্যাঞ্চগুলোর রোধের মান যা-ই হোক না কেন, প্রত্যেক ব্র্যাঞ্চ এর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য একই হবে; ২) দুটি বিন্দুর মধ্যে যত সংখ্যক ব্র্যাঞ্চই সংযুক্ত থাক না কেন, তাদের মধ্যে কোন একটির রোধ যদি শূন্য হয় (মানে শর্ট সার্কিট) তাহলে তুল্য রোধও শূন্য হবে; ৩) প্রত্যেক ব্র্যাঞ্চ এর মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট এর যোগফল (Algebraic sum) হবে তুল্য কারেন্ট। তুল্য রোধের সূত্র উপরে দেয়া হয়েছে।
ওয়াই-ডেল্টা রূপান্তর: সিরিজ ও সমান্তরাল সংযোগ ছাড়াও একটি সার্কিটে ওয়াই কিংবা ডেল্টা কিংবা উভয় সংযোগই থাকতে পারে। ওয়াই কিংবা ডেল্টা সংযোগের ক্ষেত্রে সিরিজ-সমান্তরাল এর সূত্র ব্যবহার করে সমাধান করা যায় না। এক্ষেত্রে আলাদা সূত্র ব্যবহার করতে হয়। ধরা যাক একটি সার্কিটে ডেল্টা সংযোগ থাকার কারণে সমাধান করা যাচ্ছে না। সেক্ষেত্রে ডেল্টা সংযোগকে ওয়াই সংযোগে রূপান্তর করতে হবে, এবং প্রয়োজনে বিপরীতটাও করতে হবে। কিন্তু ডেল্টা থেকে ওয়াই কিংবা ওয়াই থেকে ডেল্টাতে রূপান্তর করলে রোধগুলোর মান পরিবর্তন হয়ে যায়। নিচের চিত্রে ওয়াই-ডেল্টা সার্কিট এবং রোধগুলোর মান নির্ণয়ের সূত্র দেয়া হলো।
স্মরণযোগ্য কিছু পয়েন্ট: ১) যেখানে সিরিজ ও সমান্তরাল সংযোগের ক্ষেত্রে দুটি বিন্দুর মধ্যে বিবেচনা করতে হয় সেখানে ওয়াই-ডেল্টা সংযোগের ক্ষেত্রে তিনটি বিন্দুকে বিবেচনায় নিতে হয় (চিত্রে x, y, ও z); ২) ডেল্টা থেকে ওয়াই কিংবা ওয়াই থেকে ডেল্টাতে রূপান্তর করলে বিন্দু তিনটির কোন পরিবর্তন হবে না, শুধু রোধগুলোর মান পরিবর্তন হবে; ৩) ডেল্টা থেকে ওয়াই এর ক্ষেত্রে সূত্রগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হচ্ছে সবগুলো রোধের হরের মান একই হবে এবং তা হবে তিনটি রোধের যোগফলের সমষ্টি (Ra + Rb + Rc)। লবের মানগুলোর ক্ষেত্রে প্রত্যেক রোধের পাশের দুটি বাহুর রোধের গুণফল হবে। যেমন R1 এর ক্ষেত্রে পাশের দুটি বাহুর রোধ হচ্ছে Ra ও Rb. ৪) ওয়াই থেকে ডেল্টাতে রূপান্তরের ক্ষেত্রেও সূত্রগুলো সহজে মনে রাখা যায়। এক্ষেত্রে সবগুলো রোধের লবের মান একই হবে (উপরের সূত্র দ্রষ্টব্য)। হর হবে প্রত্যেক রোধের বিপরীত বাহুর রোধ। যেমন Ra এর বিপরীত বাহু হচ্ছে R2. ফলে Ra এর ক্ষেত্রে R2 দিয়ে ভাগ করতে হবে। এভাবে অন্যান্য রোধের মানও সহজেই বের করা যায়। তবে সর্বাগ্রে চর্চা! সার্কিটের ক্ষেত্রে নিয়মিত চর্চা ছাড়া ভুল হওয়ার সম্ভাবনা যথেষ্ট।
ইচ্ছে করলে কিছু উদাহরণ দেয়া যেত। কিন্তু সার্কিট ডায়াগ্রাম সহ সেগুলো ব্লগে উপস্থাপন করা বেশ সময়সাপেক্ষ বিধায় আজকের মতো এখানেই রাখছি। তাছাড়া সার্কিট ডায়াগ্রাম সহ ব্লগে হাতে-কলমে বুঝানো প্রায় অসম্ভব। বেসিকটা বুঝে নিজেই চেষ্টা করতে হবে। তবে কারো কোন প্রশ্ন থাকলে মন্তব্যের ঘরে জানানো যেতে পারে।

ইলেকট্রিক হাউস ওয়ারিং পর্ব ১ ।

ইলেকট্রিক হাউস ওয়ারিং পর্ব ১ ।
সম্মানিও ভিজিটর ও টিউনার বন্ধুদের কে স্বাগত জানিয়া আমার আজকের টিউন শুরু করছি।
আমি অনেক দিন ধরে লক্ষ্য করছি যে টেক টিউনের ইলেক্ট্রনিক্স বিভাগে তেমন কোন টিউন হচ্ছে না।
তাই আমি একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা নিয়ে এই বিভাগে লেখা শুরু করতে যাচ্ছি ।
আশা করি আপনাদের সহযোগিতা পাব।
টিউন শিরোনাম দেখে অনেকে হয়ত বুঝতে পেরেছেন আমি কি নিয়ে টিউন করতে যাচ্ছি।
আমাদের  প্রত্যকের বাসায় বিদ্যুৎ আছে এবং বাড়িতে সুইচ বোর্ড আছে ।
তো আমি আজকে এই সুইচ বোর্ড কিভাবে ফিটিং করতে হয় তা নিয়ে আলোচনা করব।
FUSE
একটি বোর্ডে সাধারণত FUSE,INDEGETOR,5 PIN SOKET,SUITCH ইত্যাদি যন্ত্র গুলো থাকে।
হয়ত আমরা এগুলো চিনি তবুও এক নজর দেখি।।




এটি হল সুইচ যা কোন কিছু অন অফ করতে কাজে লাগে।


এটি হল indigetor যা বিদ্যুৎ আছে না নেই বোঝার জন্য ব্যবহার করা হয়।

এটি হল ৫ পিন সকেট যা টিভি কম্পিউটার ইত্যদির প্লাগ লাগানোর জন্য ব্যবহার করা হয়।
মুলত এই তিন চার টি যন্ত্র বেশি দেখা যায়।
এবার দেখুন কি ভাবে যন্ত্র গুলো বোর্ডের মধ্যে কানেকশন করা থাকে।
একটু মন দিয়ে দেখুন তাহলে নিজেরাই করতে পারবেন মিস্ত্রি লাগবে না ।


আকাশী রঙের তারটি হল আরতিং ও লাল রঙের তারটি হল কারেন্ট।
বোর্ডের মধ্য ঠিক এই ভাবে কানেকশন করা থাকে।
আর দেখুন একটি টিউব লাইটকে অন অফ কানেকশন করা আছে।
আশা করি বাড়িতে আর মিস্ত্রি লাগেবে না।
Designed by MD Nazmul islam

Powered by Blogger